Saturday, March 19, 2011

ঈশ্বরের অভিমান

মাঝে মাঝে আধ একটা ঈশ্বর আমদানীর প্রয়োজন বোধ করি।
যার দিক থেকে আমি চাইলেও অবিশ্বাসে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারবো না।
তোমাদের ঈশ্বরের চোখে আমি বড় নিষ্ঠুর;
অবজ্ঞায় ছুড়ে ফেলেছি বলে।


একটা অপিরিসীম বাংলাদেশ,
জীবন নামের একটা মিশন,
অথবা মানবতার জয়স্নান,
এসব কখনো আমাকে নিঃসঙ্গ হতে দেয়না।
তবু মাঝে মাঝে প্রার্থণা সংগীতের বড় প্রয়োজন বোধ করি।


জীববৈজ্ঞানিক ব্যবচ্ছেদের মত ঈশ্বরতত্ত্বের ব্যবচ্ছেদে
তোমাদের ঈশ্বর আমার উপর অভিমান করেছেন।
আমার তাচ্ছিল্যের হাসিতে তার অভিমান হয়েছে বটে,
তবে ঈশ্বরের সেবকেরা ক্লান্ত হয়নি তাতে।


এখন আমার প্রার্থণার বেলা,
পারলে কেউ আমার পূজার বেদীতে একটা ঈশ্বর রেখে যাও।

অসমীকরণ

আমাকে নিয়ে অযথায় চিন্তিত তুমি;
আগের মত করে আদুরে গলায় বলব না,
এতো চিন্তা কর কেন বলত?
আজ বলব, চিন্তা করোনা, ভয় পেয়না,
যখন অসমাধানের সমীকরণটাই বুঝে গেছি,
তখন আর নতুন সমীকরণ খুঁজে কি লাভ বল?

এইমাত্র ঘুমের ঘোরে আবার বিভীষিকা এসেছিল,
আমাকে ক্ষতবিক্ষত করে দিতে,
কুমীরের মত চেহারা নিয়ে,
ভাঙ্গা ঘুমে বুঝলেম, মাথায় ভীষন যন্ত্রণা।
কি লাভ বল, আমাকে নিয়ে শুধু শুধু ভেবে।

অথচ ঘুমুতে গিয়েছিলাম, দুচোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে,
বর্ষার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে।
ঘুমুতে গিয়েছিলাম দুষ্টুমীর হাসি হাসতে হাসতে।
জেগেছি আবার, স্বপ্ন-দুঃস্বপ্নের সেইসব মরচে ধরা অসমীকরণে।


পৃথিবী তোমার জন্যে...

একটা ঝকঝকে নীল আকাশ তলে আমার বসবাস।
পায়ের নীচে শুধুই আমার কচি সবুজ ঘাষ।
বুকের মধ্যে লেগে আছে তোমার হাসির রোদ,
তাতে হলই নাহয় বন্দীশালার একটুখানি ক্রোধ।


আমি তোমায় দেখি ভালোবাসার স্নিগ্ধ চোখে;
পৃথিবী ভরেছি কেবল আমার সরলতম আবেশে;
আমি চেয়েছি কেবল সত্যের স্বাধীনতা;
তাই বাধাও আমায় দিল না বাধা।


একটি মানবজন্মে,
একটি ধরণীর জন্যে,
রইল কেবল একটিই সাধনা;
বিশুদ্ধতার সাহসী দৃপ্ততা।

বিপ্লব


তোমাদের সভ্যতা আমি ঝোলায় পুরে বিকিয়ে দিয়েছি।
ভালবাসার দামে, স্বাধীনতার নামে।