Friday, September 17, 2010

উৎসর্গ তোমাকে

এতো সুদীর্ঘ প্রতীক্ষা কখনো করিনি
প্রতীক্ষার গল্প লিখেছি আমি
এক ম্লানমূখী গোলাপী চাঁদে
বিমূর্ত অস্থিরতা অস্তিত্বের ঘোষনা দেয় 
প্রতিমুহূর্তে নীরবতার নূপুর নিক্কনে
নিঃশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকি আঁধো অন্ধকার রাতে
মাঝ নদীতে অনিশ্চয়তা খেলে নৌকার পালে


কথার ফুলঝুরি ছোটে মনে মনে দুজনাতে
হয়ত কখনো দেখা হবে
জোস্নার বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে
কোন এক অচেনা নদীর তীরে
চোখে চোখ রাখি প্রচন্ড সাহসে
কেঁপে উঠি তোমাকে হারাবার ভয়ে

কাঁপা হাতের নৈবদ্যে স্বপ্ন সাজিয়েছি, 
শুধু বলতে পারিনি-- ভালোবাসি!

সুদূরে তোমার লাজুক বধূ

আমার মতন মানুষ গুলো,
হয়ত এমন এলোমেলো।

সুর তুলেছে মনের মাঝি,
হৃদয়মাখা গভীর তুমি।
কথায় আমি প্রেম না বুঝি;
কাব্যে তাই তোমায় বলি,
খুব যে তোমায় ভালোবাসি।

ছুঁয়েছি ঐ চোখ দুটি,
ছুঁয়েছি ঐ চাপা হাসি।
এই যে আমার জাগরণে,
খেলছ তুমি মায়ায় মৌতাতে।
নিত্য মোরা স্বপনে ভাসি,
তোমারই জন্যে তুমি আমি।

সুদূরে তোমার লাজুক বধূ;
হিয়ার ছোঁয়া অদূর তবু।
ঘুম পাড়াবো আদর করে,
চেয়ে রব আলতো স্বরে,
ঘুড়িতে আঁকি তোমার ছবি,
আমায় দেখে হাসে রবি।