কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীরা ১০ই ফেব্রুয়ারি বেলা ২-৩ টায় সৌলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাস্কর্যের সামনে যুদ্ধপরাধবিরোধী স্লোগান লিখিত পোষ্টার হাতে নিয়ে জমায়েত হয় এবং মৌনভাবে অবস্থান করে। এইখানে অবস্থান শেষে আমরা রওনা হই কোরিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্দেশে। বিকাল চারটায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে আমরা একত্রিত হয়ে প্রথমে জাতীয় সংগীত গাই, অতঃপর যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে স্লোগান দেয়া হয়। এরপর কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের পক্ষে আশরাফ হোসেন রাসেল ভাই স্মারকলিপি পাঠ করে। স্মারকলিপিটি সপ্তাহের প্রথম কর্ম-দিবসে বাংলাদেশ দূতাবাসে জমা দেয়া হয়েছে। ফিরে আসার সময় আমাদের সাথে থাকা প্রত্যেকটি পোস্টার, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে ঝুলিয়ে রেখে এসেছি আমরা। এমনকি আট বছর বয়সী শিশু প্রিয়তাও কাদের মোল্লার ফাঁসি চেয়ে নিজের হাতে আঁকা পোস্টার লাগিয়ে এসেছে দূতাবাসের দরজায়।
আমরা যারা দেশ ছেড়ে সুদূর প্রবাসে পড়ে আছি, তাদের মনটা আসলে পড়ে আছে, প্রজন্ম চত্বরে, যেখানে জেগে ওঠা গণ-আন্দোলন মিটিয়ে দিয়েছে এযাবৎ মনের মাঝে বয়ে বেড়ানো সমস্ত খেদ! এই গণ-জাগরণ দেখিয়ে দিয়েছে, বাঙালি জেগে আছে, জেগে ওঠার সময় হলে সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে পারে নিজেদের অবস্থান!








